জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ন্যাশনাল লিগ্যাল-টেক হ্যাকাথন ২০২৬'-এর বিশেষ বিতর্ক অনুষ্ঠিত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রযুক্তি ও আইনি সেবার মেলবন্ধনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ন্যাশনাল লিগ্যাল-টেক হ্যাকাথন ২০২৬’-এর আওতায় এক বিশেষ বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অধিদপ্তরের নেতৃত্বে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (UNDP) কারিগরি সহায়তায় পরিচালিত ‘অ্যাক্সিলারেটিং ডিজিটাল লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ’ (ADLASB) প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর আইনি অধিকার ও ন্যায়বিচারে প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা।
অনুষ্ঠানে মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন ইউএনডিপি স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রান্ত কুন্ডু। জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (JnUDS) বিতার্কিক রাকিব শিকদারের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেফতাহুল হাসান।
প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল— “বাংলাদেশে বিশেষ করে নারী ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল লিগ্যাল এইড ন্যায়বিচারে প্রবেশের বাধা কমাতে পারে।”
তীব্র যুক্তি-তর্কের এই প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (JnUDS) দুটি দল অংশগ্রহণ করে, যেখানে চূড়ান্ত বিচারে বিরোধী দল বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিচারে দায়িত্ব পালন করেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেফতাহুল হাসান, JnUDS-এর অর্থ সম্পাদক সাদিয়া আফরোজ মীম এবং বিতার্কিক মুন্না শেখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের বলেন, "প্রযুক্তিভিত্তিক লিগ্যাল এইড প্রান্তিক মানুষের কাছে দ্রুত ও সহজ উপায়ে আইনি সেবা পৌঁছাতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।"
আয়োজক প্রান্ত কুন্ডু বলেন, "তরুণ প্রজন্মকে আইনি সচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে যুক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ।"
শেষে বিচারক, বিতার্কিক ও অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।