‘ছেলে হারানোর যন্ত্রণা একমাত্র মা বোঝে। দুই বছর হয়েছে, আমাদের ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এখনো পাইনি। বর্তমান বিএনপি সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করি।’

আজ শনিবার দুপুরে খাগড়াছড়িতে জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরা হত্যার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এক স্মরণসভায় নিহতদের মায়েরা এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদসংলগ্ন স্থানে নিহতদের মায়েরা ‘শহীদ জুনান-রুবেল স্মৃতিফলক’ উন্মোচন করেন। শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে জড়িতদের বিচারকাজ শুরু করতে হবে।

পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) জেলা শাখার তথ্য ও প্রচার সম্পাদক তৈমাং ত্রিপুরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদ আহ্বায়ক শহীদ জুনান চাকমার মা রুপসা চাকমা। এতে বক্তব্য দেন শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ সংসদের সদস্য শহীদ রুবেল ত্রিপুরার মা নিরন্তা ত্রিপুরা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা কমিটি আহ্বায়ক এন্টি চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল চাকমা।

স্মরণসভার শুরুতে শহীদ জুনান চাকমা, শহীদ রুবেল ত্রিপুরাসহ আন্দোলনে সব শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মৃতিফলক উন্মোচন ও স্মরণসভা শেষে সদরের জেলা পরিষদ এলাকা থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি স্বনির্ভর বাজারে গিয়ে শেষ হয়। সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি জেলায় বিভিন্ন স্থানে শহীদ রুবেল, ধনরঞ্জন ও অনিকদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। এ সময় শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, খাগড়াছড়িতে ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের সংঘর্ষে জুনান চাকমা ও রুবেল ত্রিপুরা নিহত হন।

চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী পূর্বাশা পরিবহনের বাসে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবাসহ আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেনকে (৪৫) আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে জব্দ করে রাখা একটি ট্রাকে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। তবে কারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রায়েরবাজার কবরস্থানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ। আজ শনিবার তিনি শহীদদের গণকবরে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তাঁর সঙ্গে জুলাই জাদুঘরের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, নিজের ৩৬ শতাংশ জমিতে সার প্রয়োগ করছেন হাসিনা। এক নিকটাত্মীয়কে দিয়ে জমিতে সার ছিটিয়ে নিচ্ছেন। প্রান্তজুড়ে গাঢ় সবুজ আমনখেত। মাঝে হাসিনার জমির আমন ধানের চারা গাছ লালচে আকার ধারণ করেছে। সময়মতো সার দিতে না পারায় ধানগাছের আশানুরূপ বৃদ্ধি হয়নি...